ইউক্রেনকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে পশ্চিমারা


এক প্রাজ্ঞ সাংবাদিক, খ্যাতিমান কবি ও প্রথিতযশা প্রাবন্ধিক বন্ধুর সঙ্গে কথা হচ্ছিলো। বর্তমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে উঠতেই তিনি হঠাৎ স্মরণ করিয়ে দিলেন পাবলো পিকাসোর বিশ্ব বিখ্যাত তেলরঙে আঁকা চিত্রকর্ম ‘গের্নিকা’-র কথা। যুদ্ধ ও মানবতার ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে শিল্পের ভাষায় বলা সেই নিঃশব্দ চিৎকার যেন আজ আবারো প্রতিধ্বনিত হচ্ছে ইউক্রেনের ধ্বংসস্তূপে। কথোপকথনের শেষে আমি কিছুক্ষণ নিশ্চুপ হয়ে রইলাম। মনে হলো—মানুষ হয়তো ইতিহাসকে ভুলে যেতে চায়, কিন্তু ইতিহাস কাউকে ভুলে না। ইতিহাস বড়ই নির্মম। ঠিক সময়ে সে ফিরে আসে, দরজায় কড়া নাড়ে, এবং নিরুত্তর মানবজাতির কাছে জবাব চায়। ১৯৪০ সালের কোনো একদিন। নাজি অধিকৃত প্যারিসের এক নিভৃত স্টুডিওতে পিকাসো বসে আছেন চুপ চাপ। চিন্তায় ধ্যানমগ্ন। তার সামনেই ছিলো বিখ্যাত চিত্রকর্ম গের্নিকা (Guernica)। সেই সময় জার্মান এক অফিসার ভেতরে ঢুকে সেই ছবিটির দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করে, “আপনি কি এটা এঁকেছেন?” পিকাসো শান্তভাবে তাকিয়ে উত্তর দেন, “না, আপনি এঁকেছেন।”উত্তর শুনে অফিসার কিছুটা স্তব্ধ হয়ে পড়েন, মুখ দিয়ে কিছুই বলতে পারলো না। কারন পিকাসোর  সেই উত্তর শুধু একজন শিল্পীর আত্মপক্ষ সমর্থন ছিল না। তা ছিল এক রাজনৈতিক বিবৃতি, এক প্রতিরোধের চিত্র, এক বাস্তব উপলব্ধি। যুদ্ধে যারা আদেশ দেয়, যারা বোমা ফাটিয়ে মানবতাকে ধ্বংস করে, তারা-ই আসল শিল্পী। সহিংসতার, ধ্বংসের, মৃত্যুর শিল্পী। ১৯৩৭ সালে স্পেনের গৃহযুদ্ধ চলাকালীন জার্মানি ও ইতালির ফ্যাসিস্ট বাহিনী স্পেনের গের্নিকা শহরে নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করে। সেই হামলায় অসংখ্য নিরীহ মানুষ প্রাণ হারান। তার প্রতিবাদেই পিকাসো আঁকেন ‘গের্নিকা, যা বিশ্বজুড়ে যুদ্ধবিরোধী চেতনার এক অমর প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়।

কেন এই প্রসঙ্গটি টানলাম, তা হয়তো এখন সহজেই বোধগম্য। কারণ সেই দৃশ্য আজও, কয়েক দশক পর, এক নতুন রূপে আমাদের চোখের সামনে প্রতিফলিত হচ্ছে। ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি, যখন রাশিয়া ইউক্রেনে 'স্পেশাল মিলিটারি অপারেশন' শুরু করে, তখন থেকেই বিশ্ব এক নির্মম, উন্মাদ ও ধ্বংসাত্মক আগুনের নৃত্য প্রত্যক্ষ করছে। বোমার শব্দ, শহরের ধ্বংসস্তূপ, শরণার্থী শিশুদের মুখ, সব মিলিয়ে গের্নিকা-র সেই আঁকা চিৎকার যেন আজ বাস্তব পৃথিবীর রক্তমাখা ক্যানভাসে জীবন্ত হয়ে উঠেছে। রাশিয়ার উপর ‘আগ্রাসনের’ অভিযোগ যেভাবে ছড়ানো হয়েছে, তা যেন সংকটের বাহ্যিক চিত্র মাত্র। এর অন্তরালে রয়েছে বহুস্তর বিশিষ্ট ভূরাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ, যাকে পশ্চিমা বিশ্ব সচেতনভাবেই আড়াল করে রাখতে চায়। এর গভীরতর ব্যাখ্যা খুঁজতে গেলে আমাদের ফিরে যেতে হবে ১৯৯০-এর দশকের পরবর্তী সময়ে, যখন সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর পশ্চিমা শক্তিগুলো, বিশেষ করে আমেরিকা ও ন্যাটো, পূর্ব ইউরোপের দিকে তাদের সামরিক জোট সম্প্রসারণ শুরু করে। ১৯৯৯ সালে পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও চেক প্রজাতন্ত্র ন্যাটোতে যোগ দেয়। এরপর একে একে বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোসহ আরও অনেক পূর্ব ইউরোপীয় দেশ। ২০০৮ সালে ন্যাটোর সম্মেলনে ইউক্রেন ও জর্জিয়ার ন্যাটোতে যোগদানের সম্ভাবনা উত্থাপিত হয়, যা রাশিয়ার জন্য ছিল এক চূড়ান্ত লাল রেখা। এই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয় ২০১৪ সালে, যখন ইউক্রেনের ইউরোপপন্থী বিপ্লবের পর রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল করে এবং দনবাসে রুশপন্থী বিদ্রোহ শুরু হয়। তারপর থেকেই পশ্চিমা ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ক্রমশ শত্রুতাপূর্ণ হয়ে ওঠে। সুতরাং এই মহাসংকটের নেপথ্য নায়ক পশ্চিমা শক্তিবৃন্দ এবং ন্যাটোভুক্ত দেশসমূহ, যারা ইতিহাসজুড়ে কখনোই রাশিয়ার উত্থান কাম্য মনে করেনি। রাশিয়াকে দুর্বল করার লক্ষ্যে তারা এমন পথ বেছে নিয়েছে, যা প্রয়োজনে নিজ স্বার্থে আঘাত হেনেও তাদের দমননীতিকে থামায়নি। এই আত্মঘাতী নীতির প্রতিফলন আজ স্পষ্ট। রাশিয়াকে শাস্তি দিতে গিয়ে তারাই আজ সমাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটে নিমজ্জিত।

আজ যখন যুদ্ধের চতুর্থ বর্ষে আমরা প্রবেশ করছি, তখন এটুকু অন্ততঃ পরিষ্কার যে এই সংঘাত আর শুধু ইউক্রেনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি হয়ে উঠেছে রাশিয়া বনাম পশ্চিমের একটি ছায়াযুদ্ধ। যার পরিণতি হতে পারে আরও অনেক ভয়ঙ্কর, সুইডেন-রাশিয়া যুদ্ধের মতোই দীর্ঘস্থায়ী ও ধ্বংসাত্মক। কিন্তু পার্থক্য হলো, এখন রাশিয়ার হাতে আছে আধুনিক অস্ত্র, কৌশলগত গভীরতা এবং সেই ইতিহাস। রাশিয়াকে দমন করা সম্ভব নয়, এমনকি যদি সমগ্র ন্যাটো একসাথে যুদ্ধেও নামে। গত এক মাসে রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধ আরো তীব্রররুপ ধারন করেছে। রাজধানী কিয়েভসহ নানা অঞ্চলে ধারাবাহিক ও সংগঠিত আকারে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে শুধু এক রাতেই ব্যবহার করা হয়েছে প্রায় ৪০০ কামিকাজে ড্রোন ও ৫০টি বিভিন্ন ধরনের ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। অন্যদিকে সম্প্রতি ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা ও স্পেশাল অপারেশন ইউনিটের অধীনে পরিচালিত ‘অপারেশন স্পাইডারওয়েব’ রাশিয়ার অভ্যন্তরে একাধিক কৌশলগত বিমানঘাঁটি টার্গেট করে। এই অভিযানে অন্তত ৪১টি যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে। এই ধরনের পাল্টা হামলা যুদ্ধকে এক নতুন ও বিপজ্জনক স্তরে নিয়ে গেছে। তবে এইটা পরিস্কার যে, পশ্চিমা বিশ্বের সরাসরি বা পরোক্ষ সমর্থন ছাড়া ইউক্রেনের পক্ষে এই ধরনের দীর্ঘমেয়াদী ও গভীর অভিযান সম্ভব ছিল না। আমেরিকা, ব্রিটেন, এবং ন্যাটোর একাধিক দেশ ইউক্রেনকে উচ্চক্ষমতার ড্রোন, স্যাটেলাইট গোয়েন্দা তথ্য এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। এই অবস্থায় যুদ্ধের গতি যেমন জটিলতর হচ্ছে, তেমনি বিশ্ব নিরাপত্তার ভারসাম্য ক্রমাগত ভেঙে পড়ছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আদৌ কি এই যুদ্ধ শেষ করার কোনো কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বিদ্যমান? নাকি পশ্চিমারা আসলে রাশিয়াকে দীর্ঘস্থায়ী এক রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়িয়ে রেখে তার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল করতে চায়? ইতিহাসের কঠিন শিক্ষা হচ্ছে, রাশিয়াকে জোর করে পরাজিত করা যায় না। ইউক্রেনকে যুদ্ধের আগুনে ঠেলে দিয়ে পশ্চিমা দেশগুলো আসলে এক বিপজ্জনক জুয়ার খেলায় মেতেছে, যার মাশুল শুধু ইউরোপ নয়, পুরো মানবজাতিকেই দিতে হতে পারে। প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও রাষ্ট্রনীতিবিদ জেফরি স্যাচস এই যুদ্ধের জন্য মূলত পশ্চিমের দায়িত্বজ্ঞানহীন নীতিকে দোষারোপ করেছেন। তাঁর মতে, ন্যাটোর লাগামহীন পূর্বমুখী সম্প্রসারণ, রাশিয়াকে ঘিরে ফেলার সচেতন কৌশল, এবং রুশ নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতি সম্পূর্ণ উপেক্ষা এই সংঘাতকে অনিবার্য করে তুলেছে। স্যাচস স্পষ্ট করে বলেন, পশ্চিমারা যদি পরিণত ও কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গিতে রাশিয়ার অবস্থানকে বিবেচনা করত, তাহলে এই যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব হতো। একইভাবে, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চিন্তাবিদ জন মিয়ারশেইমার তাঁর বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বলেন, ইউক্রেনকে ন্যাটোতে অন্তর্ভুক্ত করার প্রচেষ্টা ছিল একটি বিপজ্জনক কৌশলগত ভুল। তাঁর বিশ্লেষণে পশ্চিমা বিশ্ব যেন এক প্রকার ক্ষমতার খেলা খেলছে, যেখানে ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে একটি পেশিশক্তির পরীক্ষাক্ষেত্র হিসেবে। মিয়ারশেইমার মনে করেন, রাশিয়া কখনোই মেনে নেবে না যে, তার ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী একটি রাষ্ট্র পশ্চিমা সামরিক জোটের অংশ হয়ে উঠুক। এই বাস্তবতা না বুঝে চলার ফলই হলো আজকের এই রক্তাক্ত সংঘাত।

তবে একটি বিষয় নির্দ্বিধায় বলা যায়, পশ্চিমা দেশগুলো ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে অনিচ্ছুক। আজও তাদের চিন্তা ও চেতনায় সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব গভীরভাবে প্রোথিত। এই যুদ্ধের পরিণতি হতে পারে সুইডেন-রাশিয়া যুদ্ধের চেয়েও ভয়াবহ ও বিস্তৃত, যদি এখনই সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো যুক্তিবাদী ও কূটনৈতিক সমাধানের পথে না ফিরে আসে। ১৮০৮–১৮০৯ সালের সুইডেন-রাশিয়া যুদ্ধ একটি ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত, যা শুধুমাত্র দুই দেশের সীমান্ত নিয়ে সংঘর্ষ ছিল না, বরং ইউরোপের শক্তির ভারসাম্য ও রাজনৈতিক মানচিত্রে এক স্থায়ী পরিবর্তন ডেকে এনেছিল। ঐ যুদ্ধে সুইডেন তার পূর্বাঞ্চল—আজকের ফিনল্যান্ড—রাশিয়ার হাতে হারায় এবং সেই অঞ্চল রাশিয়ার অধীনে Grand Duchy of Finland হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। এর ফলে, সুইডেন সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে এক সংকীর্ণ জাতিতে পরিণত হয় এবং ইউরোপীয় পরাশক্তি হিসেবে তার অবস্থান একরকম বিলুপ্ত হয়ে যায়। এই যুদ্ধের অন্যতম শিক্ষা ছিল, যুদ্ধ যদি যুক্তিহীন অহংকার ও রাজনৈতিক জেদ থেকে পরিচালিত হয়, তবে তার ফল দীর্ঘমেয়াদে জাতির অস্তিত্বকেই হুমকির মুখে ফেলে।  এই কথাগুলোরই প্রতিধ্বনি শোনা গিয়েছিল কিছুদিন আগে, যখন এক রাশিয়ান রাজনীতিবিদ একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট ভাষায় সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, ইউক্রেনের পরিণতিও হবে অনুরূপ।

এই মুহূর্তে পশ্চিমা বিশ্বের জন্য সবচেয়ে জরুরি বাস্তবতা হলো, তাদের অবশ্যই বুঝতে হবে, তারা এই যুদ্ধ জিততে পারবে না। ভূখণ্ড, জনবল, প্রতিরক্ষা কৌশল এবং ঐতিহাসিক মনোভাব, সবদিক থেকেই রাশিয়া এই সংঘাতে কৌশলগত ও মনস্তাত্ত্বিকভাবে অনেক বেশি এগিয়ে আছে। পশ্চিমারা যদি এই বাস্তবতা অস্বীকার করে, তবে তারা কেবল ইউক্রেনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবেনা, বরং নিজেদের কূটনৈতিক ব্যর্থতার ইতিহাস আরও সংকটের দিকে ঠেলে দিবে। সত্যি কথা হলো, ইউক্রেন ও পশ্চিমের হাতে এখন আর কোনো কার্যকর অবস্থান নেই। তারা ইতোমধ্যেই সেনা, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক সমর্থনের দিক থেকে দুর্বল হয়ে পড়েছে। রাশিয়া, বিপরীতে, দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। তার অর্থনীতি পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও স্থিতিশীল আছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এখন আর সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের লড়াই নয়। এটি হয়ে উঠেছে আধুনিক সময়ের সবচেয়ে বিপজ্জনক ভূরাজনৈতিক সংঘাত, যেখানে পরমাণু ছায়া, জ্বালানির দখল, খাদ্য নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক মেরুকরণ একসাথে জড়িয়ে গেছে। বাস্তবতা হলো, ইউক্রেন ক্রমশ ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছে, তার ভূখণ্ড গলছে যুদ্ধের আগুনে, আর পশ্চিমের হাতে কোনো কার্যকর কৌশল নেই, না সামরিক, না রাজনৈতিক। যুদ্ধক্ষেত্রে একের পর এক এলাকা হাতছাড়া, অর্থনৈতিক ক্লান্তি, ও মিত্রদের বিভ্রান্ত অবস্থান, সব মিলিয়ে তারা এক পরাজয়ের সিঁড়ি বেয়ে নামছে। অন্যদিকে রাশিয়া, ইতিহাসের মতোই, স্থির ও সংগঠিত। তার অভ্যন্তরে ঐক্য, কৌশলে ধৈর্য, ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে সে প্রস্তুত এক দীর্ঘ ও কঠিন যুদ্ধের জন্য। পশ্চিমারা যদি এখনো না বোঝে যে রাশিয়াকে এই পথে হারানো যাবে না, তবে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে আরেকটি ‘গের্নিকা’—আরেকটি জাতিগত ধ্বংসের অধ্যায়, যার শেষ নেই। এখনই সময় জেদ ও অহংকার ছেড়ে, যুদ্ধের মূল কারণগুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনার। শক্তির খেলায় সবাই হারে, কিন্তু শান্তিতে সবাই বাঁচে। আর এই সত্য যত তাড়াতাড়ি পশ্চিমারা বুঝবে, ততটাই ক্ষয় কম হবে, রক্ত কম ঝরবে, ও মানবতার শ্বাস বাঁচবে।

Leave your review